বিশেষ প্রতিনিধি | প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬
পাওনা টাকা চাও কেন্দ্র করে এক নারীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মোজাম্মেল হক সোহেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগেও ভিন্ন এক অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওটিতে দেখা যায়, সোহেল এক নারীর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে কেন্দ্রীয় যুবদল থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এ বিষয়ে বহিষ্কৃত নেতা মোজাম্মেল হক সোহেল মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে একে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন,
“প্রতিবেশী ওই ভাবিকে সাত বছর আগে মেয়ের বিয়ের জন্য এক লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। দীর্ঘদিনেও টাকা ফেরত না দেওয়ায় তার সঙ্গে কিছু তর্কবিতর্ক হয়েছিল। এটি খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা।”
ঘটনাটিকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের লোকজন ষড়যন্ত্র করছে। তারা ওই নারীকে প্ররোচিত ও ভুল বুঝিয়ে সংসদ সদস্যের কাছে পাঠিয়েছে এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করিয়েছে। পুরো ঘটনাটি বানোয়াট এবং আমি গভীর রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার।”
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৪ জুলাই নিজ মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগে মোজাম্মেল হক সোহেলকে প্রথমবার দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ৩০ জুলাই তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয় যুবদল। পুনর্বাহালের আড়াই মাসের মাথায় আবারও একই ধরনের বিতর্কে জড়িয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেন তিনি।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড