আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
৯ বছর পর সামনে এলো টেসলার নতুন রোডস্টার: শূন্যে ডিগবাজির চমক দেখালেন মাস্ক কলকাতায় পূজামণ্ডপে পদদলিত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু রাতে নুডলস খেয়ে ঘুম, সকালে একই পরিবারের ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার কোচ সাইফুলের অপকর্মের হাঁড়ির খবর জালিয়াতি, নিপীড়ন ও ক্ষমতার দাপটে গড়ে উঠে এক অপরাধ সাম্রাজ্য টাঙ্গাইলে শারদীয় দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা জোরদার: মণ্ডপে মণ্ডপে জেলা পুলিশের মহড়া ঢাকায় ডিএমপির নিয়মিত অভিযান: ৪৮১ জন গ্রেফতার, মাদক ও চোরাই মাল উদ্ধার ডিএমপির হাজারীবাগ ও লালবাগ থানায় বিশেষ অভিযান: গ্রেপ্তার ১২ মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীর টাকা চুরি করে পালানোর সময় গ্রেফতার ১ ঢাকা-৬ আসন মাদকমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শ্রমিক দলের কঠোর অবস্থান, সড়কে সড়কে মাইকিং তথ্য কমিশনের নতুন প্রধান তথ্য কমিশনার ড. নাহরিন ইসলাম খান, দুই তথ্য কমিশনার নিয়োগ দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে এসআরবি: নয়মুল হাসান গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট লাগেজ বেল্টে মনিটরে দেখা যাবে প্লেন থেকে ব্যাগ নামানোর পুরো প্রক্রিয়া পেট্রোবাংলায় ৭৫৩ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ: যেভাবে করবেন আবেদন

ফরহাদ হত্যাকাণ্ড: ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ঘিরে নতুন প্রশ্ন, তদন্তে আর্থিক বিরোধের ইঙ্গিত

প্রতিবেদকের তথ্য : বাস্তব কন্ঠ
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 17, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 77
ছবির ক্যাপশন : ফরহাদ হত্যাকাণ্ড: ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ঘিরে নতুন প্রশ্ন, তদন্তে আর্থিক বিরোধের ইঙ্গিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | বাস্তব কন্ঠ

রাজধানী ঢাকা ও ময়মনসিংহে আলোচিত ফরহাদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে সামনে এসেছে ৫০ কোটি টাকার একটি স্ট্যাম্প ও অঙ্গীকারনামার প্রসঙ্গ। নিহতের পরিবারের দাবি, ওই নথির সঙ্গে ফরহাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তার কাছে থাকার কারণেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্পের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, কিংবা এটি হত্যার প্রকৃত কারণ কি না—এখনও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বক্তব্য অনুযায়ী, অসহায় ও ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে একটি কমিটি বা উদ্যোগের কার্যক্রমে ফরহাদ যুক্ত ছিলেন। ওই কার্যক্রমের সময় বিপুল অঙ্কের অর্থ, স্ট্যাম্প ও অঙ্গীকারনামা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয় বলে তাদের দাবি।

তাদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের নামে মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং সরকারি সহায়তার অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে উঠেছিল। এসব অভিযোগের সঙ্গে ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্পের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্ট্যাম্পটি ঘিরে যত প্রশ্ন

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তে এখন কয়েকটি বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে—৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্পটি কখন এবং কোথায় তৈরি হয়েছিল, কার নামে বা কার স্বার্থে এটি সম্পাদিত হয়, অর্থের উৎস কী ছিল, অঙ্গীকারনামাটির আইনগত ভিত্তি কী এবং নিহত ফরহাদের কাছে এসব নথি কীভাবে আসে।

পরিবারের দাবি, এসব প্রশ্নের উত্তর বের করতে পারলে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কোনো আর্থিক বিরোধ বা স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।


হুকুমদাতার অভিযোগ

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আলহাজ্ব আব্দুর রহিমকে হুকুমদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব, আর্থিক অনিয়ম ও অসহায় মানুষের অর্থ আত্মসাতের মতো অভিযোগ রয়েছে বলেও কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দাবি করেছেন।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং আদালতের মাধ্যমে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।

অভিযোগ জানিয়েও প্রতিকার মেলেনি—দাবি

কমিটির কয়েকজন সদস্যের দাবি, তারা বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রত্যাশিত তদন্ত বা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তারা দাবি করেন।

তাদের বক্তব্য, অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন; আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তদন্তের মাধ্যমেই সেটি স্পষ্ট করা উচিত।

এদিকে স্থানীয় কয়েকটি সূত্র রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে আব্দুর রহিমের যোগাযোগ ও রাজধানীর বিজয় সরণি ও ফার্মগেট এলাকায় কথিত বৈঠকের দাবি করেছে। তবে এসব তথ্যের পক্ষে নির্ভরযোগ্য স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টিও যাচাইয়ের দাবি রাখে।

পরিবারের দাবি—শুধু হত্যা নয়, নেপথ্যও খুঁজতে হবে

নিহত ফরহাদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ও অঙ্গীকারনামা-সংক্রান্ত বিষয় সামনে আসার পরই তাদের স্বজনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। কার নির্দেশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, কারা সরাসরি জড়িত এবং এর পেছনে আর্থিক কোনো বিরোধ ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর চান তারা।

পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

তাদের মতে, তদন্ত শুধু হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্প, অঙ্গীকারনামা, কমিটির কার্যক্রম, অর্থের লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগ—সবকিছু যাচাই করা প্রয়োজন।

ফরহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী এবং ৫০ কোটি টাকার স্ট্যাম্পের সঙ্গে এর আদৌ কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখন তদন্তেই নির্ধারিত হবে। পরিবারের ভাষ্য, তারা প্রতিহিংসা নয়, প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার চান।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকৃত নিউজ পোর্টাল।

প্রধান সম্পাদক : সেলিনা আক্তার জারা সম্পাদক ও প্রকাশক: মো ফজলে রাব্বি
© 2026 Bastob Kontho. All Rights Reserved.
Technical Support by ZapStudio Network