বিশেষ প্রতিনিধি: দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফালোটের পাঁয়তারা করছে শীর্ষ পাঁচটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। আমদানিকৃত গ্যাসের চালান বাজারে না ছেড়ে মজুত করে রাখার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে সরকারকে সতর্ক করেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।
গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এনএসআইয়ের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে অভিযুক্ত পাঁচ বড় প্রতিষ্ঠান হলো—আইগ্যাজ, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি এবং যমুনা এলপিজি।
এনএসআইয়ের নথিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব কোম্পানি তাদের এলপিজির বেশ কিছু আমদানিকৃত চালান খালাস ও বাজারজাত না করে আটকে রেখেছে। এর ফলে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, যা সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম অহেতুক বাড়িয়ে দেওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিইআরসি (বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন) নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি না করে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি চক্র সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। এ অবস্থায় বাজারে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেদনটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে দ্রুত বাজারে তদারকি অভিযান জোরদার করা হবে।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড