নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলা ও ভাঙচুরের যে অভিযোগ উঠেছে, তাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত পরিবার। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, সাতুটিয়া গ্রামে সাড়ে চার শতাংশ বসতবাড়ির জমি ৮ লাখ ৪১ হাজার ৭০০ টাকায় বায়না করা হয়। এর মধ্যে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর গত ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর জমির মালিক মোছা. সালমা আক্তার ও মো. শফিকুল ইসলাম শাকিল আহমেদ রাজনের কাছে বায়নাপত্র সম্পাদন করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বায়না করা জমির চূড়ান্ত দলিল করে দেওয়া হচ্ছে না।
অভিযোগ করা হয়, রাজনের চাচা নজরুল ইসলামের মেয়ে মোছা. লাভলী আক্তার, শহিদুল ইসলাম আজিজ, আবু সাঈদ ও মোছা. জ্যোৎস্না আক্তারের প্ররোচনায় দলিল সম্পাদনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, গত ১ অক্টোবর সকালে প্রতিপক্ষ নিজেদের ঘরের আসবাবপত্র ও বেড়া সরিয়ে ফেলে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে শাকিল আহমেদ রাজন, চায়না, সুলতান ও আবু বাসারের বিরুদ্ধে হামলা ও ভাঙচুরের মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন অভিযুক্তরা।
সংবাদ সম্মেলনে শাকিল আহমেদ রাজনসহ শারমিন আক্তার, আব্দুল জলিল, রফিকুল ইসলাম রেজাক, চায়না আক্তার, খলিলুর রহমান ও সানিয়া বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড