ঢাকা, ৯ অক্টোবর ২০২৬:
আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সারা দেশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডিম দিবস’। প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। ১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশনের কনফারেন্সে দিবসটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর বিশ্ব ডিম দিবস তার ৩০তম আয়োজনে পদার্পণ করেছে।
এবারের ডিম দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—"শক্তি ও পুষ্টিতে ভরপুর ডিম"। প্রতিপাদ্যটি মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ডিমের অপরিহার্য ভূমিকাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সেমিনার এবং আলোচনা সভা। এছাড়া সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এতিমখানা ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে আজ বিনামূল্যে পুষ্টিকর ডিম বিতরণ করা হচ্ছে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম একটি প্রাকৃতিক ‘সুপারফুড’। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন এ, ডি, বি১২ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসহ শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব পুষ্টি উপাদান। দৈনিক খাদ্যাভ্যাসে ডিমের উপস্থিতি পুষ্টি ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তবে এবারের ডিম দিবসটি এমন এক সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন স্থানীয় বাজারে ডিমের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ঢাকার খুচরা বাজারগুলোতে বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি শিল্পের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর ডিমের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড