Logo
প্রিন্টের তারিখ: 17 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 18, 2026

সংবাদ শিরোনাম : ঢাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: তদন্তে ছাত্রদলের ৫ নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা চিহ্নিত

ঢাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: তদন্তে ছাত্রদলের ৫ নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা চিহ্নিত


​ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকর্মীর প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। ঘটনার দীর্ঘ পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়া গেছে এবং আগামী সিন্ডিকেট সভায় কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার মাধ্যমে পরবর্তী আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পাঁচজনের জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেলেও তাদের নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি প্রশাসন।

​ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শাহবাগ থানার ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১০ জন সাংবাদিক ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সহকারী প্রক্টর মাহবুব কায়সারকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও নির্ধারিত সময়ের প্রায় পাঁচ মাস পর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলো।

​এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা) শুরু থেকেই এ ঘটনায় ছাত্রদলের ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে আসছিল। মঙ্গলবার উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ডুজা নেতৃবৃন্দ উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

​পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডুজার সভাপতি মো. মানজুর হোছাঈন মাহি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাজশাহী বিশ্বাবদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার পর দেশব্যাপী সৃষ্টি হওয়া চাপের মুখেই হয়তো এই তদন্ত প্রতিবেদন তড়িঘড়ি করে জমা দেওয়া হয়েছে।"

​দীর্ঘ সূত্রতার বিষয়ে ডুজার সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম বলেন, "প্রশাসনের সদিচ্ছা ও তৎপরতার ঘাটতির কারণেই বিচার ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। সদিচ্ছা থাকলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল।"

বাস্তব কন্ঠ
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF