নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহের প্রার্থী মিশন আচার্য অবশেষে তার নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন।
এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের 'সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫'-এ ঝিনাইদহ সদর উপজেলা থেকে ১৭তম স্থান অর্জন করে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন মিশন আচার্য। তবে নিজস্ব স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় এবং জেলা প্রশাসন দপ্তরের অনুসন্ধানে স্থায়ী ঠিকানা না পাওয়ায় তাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর নজরে আসে সংশ্লিষ্টদের।
পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রীকে দেওয়া এক চিঠিতে রাশেদ খাঁন জানান, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় জন্মলগ্ন থেকেই মিশন আচার্য বসবাস করছেন এবং বর্তমানেও ভাড়া বাসায় থাকেন। ছোটবেলায় বাবা ছেড়ে চলে যাওয়ায় মায়ের কষ্টে লালন-পালনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। এসব তথ্য উল্লেখ করে মানবিক বিবেচনায় তাকে নিয়োগের অনুরোধ জানানো হয়।
রোববার এক ফেসবুক পোস্টে মো. রাশেদ খাঁন বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফর শেষে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এরপর শিক্ষামন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন।
দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও জটিলতা কাটিয়ে এখন কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন মিশন আচার্য।