নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের নির্দেশ দিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এলওএবি সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া এবং অবৈধ মজুতকরণের মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত ও সন্তোষজনক। গত সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন এবং আগস্টে ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ সংক্রান্ত কোনো ঘাটতি নেই এবং কৃত্রিম সংকট তৈরিরও সুযোগ নেই।
এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী এবং এলওএবি নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার মনিটরিংয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন জ্বালানি মন্ত্রী।
সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১,৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও খুচরা পর্যায়ে তা ২,১০০ থেকে ২,৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে—যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা বেশি। ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পরস্পরকে দায়ী করে এ অতিরিক্ত মূল্য আদায় করছিলেন।
ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি চালানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে এলওএবি।