Logo
প্রিন্টের তারিখ: 17 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 18, 2026

সংবাদ শিরোনাম : আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে গাজী নজরুলের সাথে আপস করলেন মরিয়মের বাবা

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে গাজী নজরুলের সাথে আপস করলেন মরিয়মের বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা একটি আত্মহত্যায় প্ররোচনা (৩০৬ দণ্ডবিধি) মামলায় বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আপস নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনার পর তাৎক্ষণিক সন্দেহের বশে মামলাটি দায়ের করা হলেও পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক বা আপসনামা সম্পাদিত হয়।

​বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির হয়ে আসামি পক্ষে এ সংক্রান্ত একটি হলফনামা দাখিল করেন মামলার বাদী ও নিহত মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে বিষয়টি নথিভুক্ত করেছেন।

​ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান সমঝোতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​হলফনামা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সত্যায়িত এই আপসনামায় বাদী এস এম মাসুম বিল্লাহকে 'প্রথমপক্ষ' এবং মো. আব্দুল হামিদ মোড়লকে 'দ্বিতীয়পক্ষ' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, নিহত মরিয়ম মামলার ১ নম্বর আসামি জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এবং তিনি প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সংসার করে আসছিলেন।

​ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আপসনামায় উল্লেখ করা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় নিজ বাসভবনে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে বাদাসহ পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে তাৎক্ষণিক মানসিক আঘাত ও সন্দেহের বশে শেরেবাংলা নগর থানায় স্বামী জি এম নজরুল ইসলাম, প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করে ৩০৬ ধারায় একটি মামলা (মামলা নম্বর: ১৬/০৯/২০২৬) দায়ের করেন মরিয়মের বাবা।

​পরবর্তীতে সার্বিক বিষয় বুঝতে পেরে দুই পরিবারের মধ্যে সমঝোতা গড়ে ওঠে। আপসনামায় বাদী উল্লেখ করেন, প্রধান আসামি জি এম নজরুল ইসলাম সহ অভিযুক্তদের জামিন মঞ্জুর করা হলে তাতে বাদী বা তার পরিবারের কোনো আপত্তি নেই।

​আপসনামার চূড়ান্ত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে, উভয়পক্ষ সজ্ঞানে, স্বেচ্ছায় এবং কারো দ্বারা প্ররোচিত না হয়ে সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। ভবিষ্যতে দুই পক্ষ আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রেখে চলবেন এবং বিচারাধীন মামলাটিতে বিচারিক কার্যক্রমের স্বার্থে নিরপেক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বাস্তব কন্ঠ
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF