Logo
প্রিন্টের তারিখ: 17 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 18, 2026

সংবাদ শিরোনাম : ‘মেয়েদের সাথে অবাধ বিচরণ’সহ যেসব অভিযোগে শিবিরের পদ হারান আম্মার

‘মেয়েদের সাথে অবাধ বিচরণ’সহ যেসব অভিযোগে শিবিরের পদ হারান আম্মার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা, অনৈতিক অর্থনৈতিক লেনদেন এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

​বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। তিনি জানান, ২০২৫ সালে উত্থাপিত বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংগঠনিক তদন্ত ও পর্যালোচনার পর তার পদ বাতিলের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল স্বাক্ষরিত এক চিঠি সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটিতে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ এবং নানা নৈতিক পদস্খলনের বিষয় উঠে আসে। প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে ওই সভায় তার ‘সাথী’ পদ মুলতবি করা হয়। পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় উত্থাপিত অভিযোগের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার পদটি স্থায়ীভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

​চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অনৈতিক অর্থনৈতিক লেনদেন, সম্পদের তছরুপ, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা ও সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সালাউদ্দিন আম্মারের কিছু ফৌজদারি ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ সংঘাতের দিকে ধাবিত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

​এমন পরিস্থিতিতে সালাউদ্দিন আম্মারের যেকোনো অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ড বা মন্তব্যে ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখাতে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছে সংগঠনটি। তবে রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের কেবল দাপ্তরিক প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

​উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শিবিরের তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও বর্তমান রাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতেও আম্মারের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল।

​অভিযোগ ও ‘সাথী’ পদ বাতিলের বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বাস্তব কন্ঠ
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF