নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নে জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিচয় ব্যবহার করে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না দিলে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রানিহাটি ইউনিয়নের লালাপাড়া মোড় এলাকায় একটি বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন রামচন্দ্রপুরহাট এলাকার পল্লী চিকিৎসক ফিরোজ কবীর।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে ফিরোজ কবীর অভিযোগ করেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি রামচন্দ্রপুরহাটে নিজ চেম্বারে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে এসে ছবি তুলতে থাকেন। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এসেছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফিরোজ কবীরের দাবি, ওই সময় তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে মানহানি করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
ফিরোজ কবীর আরও জানান, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানহানির অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক দুরুল হোদা, ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান ডলারসহ স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
তবে পল্লী চিকিৎসকের এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।