Logo
প্রিন্টের তারিখ: 17 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 18, 2026

সংবাদ শিরোনাম : রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ, পারমাণবিক শক্তির নতুন যুগে বাংলাদেশ

রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ, পারমাণবিক শক্তির নতুন যুগে বাংলাদেশ


নিজস্ব প্রতিবেদক | বাস্তব কণ্ঠ

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রকল্পটির প্রথম ইউনিট এখন কমিশনিংয়ের পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটম।

রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’-এর একটি প্লেনারি আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরেন রোসাটমের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আন্দ্রে তিমোনভ।

‘আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রাশিয়ার ভাবমূর্তি’ শীর্ষক ওই অধিবেশনে তিমোনভ বলেন, বাংলাদেশে রোসাটমের সহযোগিতায় প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিটের নির্মাণকাজ চলতি বছর শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে ইউনিটটির কমিশনিং-সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোসাটমের এই কর্মকর্তা বলেন, রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশ তুলনামূলক স্বল্প সময়ে এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোচ্ছে, যা অনেক দেশের ক্ষেত্রে কয়েক দশক সময় নিয়েছে।

বাংলাদেশে নিজের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিমোনভ দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানুষের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং দেশটির পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহও উল্লেখযোগ্য।

তার বক্তব্যে বাংলাদেশের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে। তিমোনভ জানান, সোভিয়েত আমলেই বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ধারণা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, রূপপুর প্রকল্প কেবল একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নয়; এর সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় সক্ষমতা, প্রযুক্তি শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আগ্রহও যুক্ত হয়েছে। তরুণদের মধ্যে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রোসাটমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইয়েকাতেরিনবার্গে ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ‘ফলো ইওর ড্রিম’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্বের ১৯১টি দেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার অংশগ্রহণকারী যোগ দেন। উৎসবটিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছিল।

উৎসবে বাংলাদেশেরও প্রতিনিধিত্ব ছিল। প্রায় ৯০ জন বাংলাদেশি প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।

সূত্র: রোসাটমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাস্তব কন্ঠ
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF