Logo
প্রিন্টের তারিখ: 17 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 18, 2026

সংবাদ শিরোনাম : ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কর ও শ্রমসংক্রান্ত আরও ৫০ মামলা বিচারাধীন

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কর ও শ্রমসংক্রান্ত আরও ৫০ মামলা বিচারাধীন

বিশেষ প্রতিবেদক | বাস্তব কন্ঠ

গ্রামীণ কল্যাণকে ঘিরে করসংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণকে প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর জানা গেছে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কর ও শ্রমসংক্রান্ত আরও কয়েক ডজন মামলা উচ্চ আদালত ও শ্রম আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে করসংক্রান্ত আরও ৩১টি মামলা বর্তমানে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে বিচারাধীন। এসব মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর দাবির পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এর বাইরে শ্রম আদালত ও শ্রম অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালেও ড. ইউনূসকে ঘিরে আরও ১৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ফলে কর ও শ্রমসংক্রান্ত বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে অন্তত ৫০টি।

গ্রামীণ কল্যাণের করসংক্রান্ত মামলাগুলোর একটি অংশের সূত্রপাত ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে, অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়। ওই সময়ের মামলাগুলোর কয়েকটির বর্তমান সরকারের আমলে নিষ্পত্তি হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন এসব ঘটনাকে ভিন্নভাবে দেখছেন। তাঁর দাবি, ড. ইউনূসকে নিয়ে এক ধরনের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চলছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকারও আগের সরকারের পথ অনুসরণ করছে।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের অবস্থান হলো—আদালতের রায় ও আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। উচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সেই সিদ্ধান্তই অনুসরণ করতে হবে।

গ্রামীণ কল্যাণকে কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনো প্রকাশিত হয়নি। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়।

আইনজীবীদের মতে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর মামলার আইনি অবস্থান, কর নির্ধারণের ভিত্তি এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ফলে বিষয়টি এখন উচ্চ আদালতের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করছে।

বাস্তব কন্ঠ
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF