ঢাকা, ১২ অক্টোবর ২০২৬: খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুলনায় চিকিৎসাধীন খান সাইফুলের একটি বক্তব্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি অবিলম্বে তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সাইফুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া সহ সার্বিক খোঁজখবর রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্ত অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে খান সাইফুলকে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খানের অধীনে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
সাইফুলের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা পরিকল্পনা সম্পর্কে অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান জানান, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে এবং সে অনুযায়ী তাঁর পরবর্তী চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), ড্যাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম.আর. হাসান, এবং আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম। এছাড়া ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডা. জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ছাত্রদল নেতা শোআইব ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তৎকালীন রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়ে খান সাইফুল দীর্ঘদিন যাবৎ গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এর আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর একাধিক হাসপাতালে তাঁর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।