Logo
প্রিন্টের তারিখ: 17 October 2026 | প্রকাশের তারিখ: Oct 18, 2026

সংবাদ শিরোনাম : শাহজালাল বিমানবন্দরে আচারের বয়ামে মিলল ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার সোনা ও হীরা, আটক ১

শাহজালাল বিমানবন্দরে আচারের বয়ামে মিলল ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার সোনা ও হীরা, আটক ১


​নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আচারের বয়ামের ভেতরে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ডায়মন্ড, প্ল্যাটিনাম ও স্বর্ণালংকার জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। এ ঘটনায় মো. জনি রহমান নামের এক বিমানযাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

​রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকা কাস্টমস হাউস সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। জব্দ করা এসব অলংকার ও পাথরের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

​যেভাবে ধরা পড়ল চোরাচালান

​কাস্টমস সূত্র জানায়, গত শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের (বিজি-৩৯৬) একটি ফ্লাইটে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসেন যাত্রী জনি রহমান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমসের প্রিভেন্টিভ টিম ও বিমানবন্দরে দায়িত্বরত সি-শিফটের কর্মকর্তারা আগে থেকেই সতর্ক অবস্থান নেন।

​ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে কোনো ধরনের শুল্ক বা ব্যাগেজ ঘোষণা ছাড়াই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় ওই যাত্রীকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরে তার লাগেজ স্ক্যান করলে আচারের বয়ামের ভেতরে ধাতব পদার্থের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। পরবর্তীতে ব্যাগেজটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি করে বয়ামের ভেতর থেকে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ওই মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

​জব্দকৃত পণ্যের বিবরণ

​ঢাকা কাস্টমস হাউসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত অলংকার ও পাথরের মোট ওজন ১ হাজার ৫৪ গ্রাম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সামগ্রীগুলো হলো:

  • ​স্বর্ণ ও প্ল্যাটিনামের আংটি: ৩৮৯টি ডায়মন্ড বসানো স্বর্ণের আংটি, ১৫১টি প্ল্যাটিনামের আংটি, ৩টি সাদা স্বর্ণের আংটি এবং ২টি রুপার আংটি।
  • ​অন্যান্য অলংকার: ৫টি স্বর্ণের লকেট ও ১টি স্বর্ণের চেইন।
  • ​মূল্যবান পাথর ও নথিপত্র: ৪৭২টি ডায়মন্ডের নাকফুল, ৪৫ ক্যারেটের ডায়মন্ড পাথর, ৭২০টি পোখরাজ ও রুবি পাথর এবং ২৩টি জুয়েলারি সার্টিফিকেট কার্ড।

​আইনি পদক্ষেপ

​এ ঘটনায় ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত জনি রহমানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ চোরাচালানের পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে কি না এবং এসব পণ্য কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল, তা রিমান্ড ও ব্যাপক তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা হবে।

বাস্তব কন্ঠ
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF